সার্ভিস
পিরিয়ডিক মেইনটেন্যান্স
নিয়মিত ইঞ্জিন অয়েল, ফিল্টার ও মাল্টি-পয়েন্ট চেক — গাড়ি থাকে নির্ভরযোগ্য।
সংক্ষেপে
পেট্রোল, হাইব্রিড ও ডিজেল গাড়ির জন্য কোম্পানির শিডিউল অনুযায়ী সার্ভিসিং — ইঞ্জিন অয়েল ও ফিল্টার পরিবর্তন, ফ্লুইড টপ-আপ এবং লিখিত মাল্টি-পয়েন্ট ইন্সপেকশন, যাতে ছোট সমস্যা বড় খরচে পরিণত হওয়ার আগেই ধরা পড়ে।
সাধারণ লক্ষণ
- সার্ভিসের সময় বা কিলোমিটার পূর্ণ হয়েছে
- অয়েল বা মেইনটেন্যান্স লাইট জ্বলছে
- ইঞ্জিনের শব্দ আগের চেয়ে রুক্ষ
- মাইলেজ কমে গেছে
যা যা অন্তর্ভুক্ত
- ইঞ্জিন অয়েল ও অয়েল ফিল্টার পরিবর্তন
- এয়ার ও কেবিন ফিল্টার চেক / পরিবর্তন
- ব্রেক, কুল্যান্ট ও ওয়াশার ফ্লুইড টপ-আপ
- ব্যাটারি, বেল্ট, লাইট ও টায়ার চেক
- ডিজিটাল সার্ভিস রেকর্ড
এই সার্ভিস নিয়ে প্রশ্ন
কত দিন পরপর গাড়ি সার্ভিস করা উচিত?
অয়েলের গ্রেড ও চালানোর ধরন অনুযায়ী বেশিরভাগ গাড়ির প্রতি ৫,০০০–১০,০০০ কিমি পরপর অয়েল সার্ভিস দরকার। আমরা কোম্পানির শিডিউল মেনে চলি এবং পরের সার্ভিসের তারিখ মনে করিয়ে দিই।
জেনুইন বা OEM পার্টস বেছে নিতে পারব?
হ্যাঁ। কোনো পার্টস লাগানোর আগে জেনুইন, OEM ও মানসম্মত আফটারমার্কেট অপশনগুলো দামসহ বুঝিয়ে বলি।
গ্রাহকদের মতামত
গ্রাহকরা যা বলছেন
আমরা প্রথম গ্রাহকদের মতামত সংগ্রহ করছি। আমাদের কাছে গাড়ি সার্ভিস করিয়েছেন? আপনার মতামত জানালে খুশি হব।
Facebook-এ রিভিউ লিখুন